এককালে এদেশের প্রবীণরা যথেষ্ট সম্মানের সাথে ছেলে মেয়ে নিয়ে অতি শান্তিতে একত্রে বসবাস করতেন। কিন্তু যারা দেশ সেবা করেছেন, তারা আজ পরিবার হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছেন। কনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যরা প্রবীণদের সাথে যৌথভাবে থাকতে চাচ্ছেন না। এমনকি পরিবারের স্বচ্ছল সদস্যরাও প্রবীণদের আরাম, আয়েশের দিকে একেবারই দৃষ্টি দিচ্ছেন না। ফলশ্রুতিতে তাঁরা অনেকেই অসহায়ত্ব, ভীতি এবং উদ্বেগের শিকার হচ্ছেন। একান্নবর্তি পরিবারের বিপরীতে গঠিত হচ্ছে একক পরিবার। ফলে অনেককেই একাকী জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এ অসহায় অবস্থা হতে উত্তরনের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সাহায্যে বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি প্রবীণ নিবাস স্থাপন করা হয়েছে। সংঘে স্থাপিত এ প্রবীণ নিবাসে বসবাস করছেন সে সকল প্রবীণ যারা অসহায় ও একাকীত্বের মধ্যে জীবন যাপন করে থাকেন। প্রবীণ নিবাসে অবস্থান করে প্রবীণ নিবাসীরা সংঘের হাসপাতালের সাধারণ রোগীদের মত একই নিয়মে চিকিৎসা সেবার সুযোগ পাচ্ছেন। তাছাড়া সংঘে থাকছে প্রবীণদের চিত্তবিনোদনের জন্য টিভি, ইন্টারনেট, সংবাদপত্র, লাইব্রেরী এবং ইনডোর খেলাধুলার ব্যবস্থা।

সরকারী, আধা সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার চাকুরী হতে অবসর প্রাপ্ত এবং ৬০ বছর বয়সোর্ধ্ব একজন বাংলাদেশের নাগরিক প্রবীণ হিসেবে গণ্য। বাংলাদেশী প্রবীণ/প্রবীণা যারা শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজের কাজ নিজে করতে সামর্থ রাখেন তারা নিবাসে ভর্তিযোগ্য। নির্ধারিত ফরমে আবেদনকারী ও তার একজন অভিভাবক এবং দুইজন জামিনদারের পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে।

 

পুরুষ ডরমেটরি

সবুজ শ্যামল পরিবেশ

শয়নকক্ষ

রন্ধন সার্ভিস

নামাজ ঘর

সম্মিলন কেন্দ্র

মেডিকেল সেন্টারের অভ্যর্থনা

সার্বক্ষনিক স্বাস্থ্যসেবা

ঔষধালয়